ভাই আপনি জাতীয় দলে নাই কেন প্রশ্নটা ইমরুলকে দেখে জিজ্ঞাসা করে ইমরুল ভক্তরা। কিন্তু বছর দুয়েক আগে ইমরুল কায়েস নিজেই খুঁজছিলেন এই প্রশ্নের উত্তর। ওপেনলি বলেছিলেন আমি কি করলে দলে সুযোগ পাবো আর আমি কেনই বা বাদ যাচ্ছি? উত্তর পাননি ইমরুল নিজেও ঠিক একই প্রশ্নের উত্তরটা দিতে পারেননা ভক্তদেরও। তবু চান জাতীয় দলে খেলে বিদায় নিতে। বাংলাদেশের ক্রিকেট দলে যখন ইমরুল কায়েসের ভালো সময় চলে ঠিক তখনই বিসিবির ভিমরুল মার্কা নির্বাচকেরা ইমরুলকে দলে ফেলার পায় তারা খোঁজে।

ইমরুল কায়েস কেন জাতীয় দলে নাই

ইমরুল কায়েসের পরিসঙ্কখান

দিনের পর দিন নিজের সীমাবদ্ধতা নিয়ে পরিশ্রম করেছেন দমে যাননি বা হাল ছেড়ে দেননি। যখনই সুযোগ পেয়েছেন রান করেছেন নিজেকে উজাড় করে দিয়ে ২০১০ এ ৮৬৭ রান করেছে। বিশ্ব ক্রিকেটে পঞ্চম সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হয়েছিলেন এমনকি নিউজিল্যান্ড সফরে মুশফিক ইনজুরিতে পড়লে হিসেবে ১৫০ ওভার উইকেট কিপিং করেছিলেন এ প্রতিবেদন দেওয়ার সত্বেও বারবার তাকে উপেক্ষা করা হয়েছে। চন্দ্রপুর এর মত কুৎসিত টেকনিকের ব্যাটসম্যান ওয়েস্ট ইন্ডিজ কিংবদন্তি হয় আর আমাদের দেশের অযোগ্য ক্রিকেটবোদ্ধারা কখনো শামসুর রহমান কখনো নাজিমুদ্দিন কখনোবা সৌম্য লিটনের প্রেমে পড়ে তাকে চক্ষুশূল বানিয়েছে।

অথচ বোর্ড যদি তার প্রতি পর্যাপ্ত যত্নবান হত এত দিনে সে হয়তো বা বিবেচিত হতো। আমাদের ক্রিকেটের ষষ্ঠ পাণ্ডব হিসেবে ইমরুল দলে ঢোকার পর কোচ হিসেবে এসেছিলেন  হাথুরুসিংহে, স্টিভ রোডস কোন কোষের গুডবুকে ইমরুলের নাম থাকার গল্প শোনা যায় না কেন।

আরো পড়ুনঃ বাংলাদেশ বনাম জিম্বাবুয়ে খেলার সময় সূচি

ইমরুল কায়েসকে জাতীয় দলে নেওয়ার প্রশ্নে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বলেছেন,

পারফর্ম করেই জাতীয় দলে জায়গা করে নিতে হবে ইমরুলকে। ভালো পারফর্ম করলে যেকোনো ক্রিকেটারের জন্য জাতীয় দলের দরজা খোলা,

 

অন্যরা সুযোগ পেয়েও বারবার ব্যর্থ হচ্ছে তবুও ইমরুলের প্রতি আস্থা নেই কেন? এই একটা প্রশ্ন খুবই জটিল লাগতে পারে। ওপেনারের তালিকাগুলো পরীক্ষা করলে দেখা যায় জুনায়েদ সিদ্দিকী, জহুরুল ইসলাম, নাজিমুদ্দি্‌ শামসুর রহমান, এনামুল-হক-বিজয, সৌম্য সরকার, লিটন দাস। নাম গুলো খেয়াল করলে তাদের মধ্যে মিল পাওয়া যায়।

আরো পড়ুনঃ

এরা প্রত্যেকেই স্ট্রোক প্লেয়ার জুনায়েদ সিদ্দিকী ২০০৭ টি-২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে দুরন্ত হাফ সেঞ্চুরি করেছিলেন জহুরুল ইসলাম। নাসিম উদ্দিন প্রাক্টিস ম্যাচে শোয়েব আক্তার কেউ ছক্কা হাঁকিয়েছেন। শামসুর রহমান নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৩৩০ করে দিয়েছেন। তিনি খেলতে পছন্দ করেন লিটনের ব্যাটিং ও আক্রমণাত্মক তবে বলেই ওপেনিংয়ে আস্থা অর্জন করতে পারেননি কোচদের। চিন্তাভাবনার সিয়াটি ওপেনিংয়ে তাদের চায় মসালা ব্যাটসম্যান কিন্তু খেলে পরে রান তোলা যায়। সেই জ্ঞানটুকু মাথার কোন চিপায় পড়ে গেছে ম্যানেজমেন্টের। অবশ্য এসব এখনো পরিচিত কথা ইমরুলেরও এ বিষয়ে সবাই জানে গতকাল এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন

কারো সাথে দেখা হলেই জিজ্ঞাসা করে আপনি দলে নেই কেন ইমরুলের এতে অবশ্য ভালোই লাগে তার মনে হয় জাতীয় দলে তিনি কিছু একটা অন্তত করেছিলাম যে কারণে তাকে সবাই মিস করে।

ইমরুল কায়েস অবশ্য জাতীয় দলে ফেরার সুযোগ কম তবে কষ্ট করে নিতে চান সেই কঠিন সুযোগ তার জাতীয় দল থেকে নিতে চান লাল সবুজের জার্সিতে বিদায়।

য়

Share.

2 Comments

  1. Pingback: আফিফ মিরাজের রেকর্ড জুটিতে আফগানিস্তানকে ৪ উইকেট হারাল বাংলাদেশ – Khela Dula News

Leave A Reply

Exit mobile version